ইসলামের চতুর্থ খলিফা আলী রাঃ সংক্ষেপে এর জীবনী:
iknowledge12 অ্যাপ ডাউনলোড করতে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করুন
আলী রাদিয়াল্লাহু ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খালিফা। তিনি 600 খ্রিস্টাব্দের মক্কার কুরাইশ বংশের বুনো হাসিম গোত্রের জন্মগ্রহণ করেন।তিনি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা আবু তালিবের পুত্র ছিলেন। তিনি মাত্র ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন। এবং বালকদের মধ্যেই তিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
জ্ঞান সাধনাঃ
আলী রাদিয়াল্লাহু ছিলেন অসাধারণ মেধার অধিকারী। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন জ্ঞান তাপস ও জ্ঞান সাধক। তিনি সর্বদা জ্ঞান চর্চা করতেন।হাদিস ,তাফসির ,আরবি সাহিত্য, ও আরবি ব্যাকরণে ,তিনি তার যুগের সেরা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার রচিত ""দিওয়ানে আলী"" নামক কাব্যগ্রন্থটি আরবি সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
জীবনযাপনঃ
হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু সারা জীবন জ্ঞান সাধনার ব্যস্ত থাকায় সম্পদ উপার্জন করার সময় পাননি। তিনি সহজ সরল জীবনযাপন করতেন। নিজ হাতে কাজ করে উপার্জন করতেন। কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতে। কখনো না খেয়ে থাকতেন তবুও আক্ষেপ করতেন না বাসার কোন কাজের লোক ছিল না।তার স্ত্রী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজ হাতে জাতা পিষে গম গুঁড়ো করতেন ও রুটি তৈরি করতেন। মুসলিম জাহানের খালি খাওয়ার পরও তিনি বাসায় কোন কাজের লোক রাখেননি।
ইসলামের সেবাঃ
তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় ধন-সম্পদ দিয়ে ইসলামের উল্লেখযোগ্য সেবা করতে পারেননি।তবে তার শৌর্য বীর্য সাহসিকতা ও লেখনীর মাধ্যমে তিনি ইসলামে অনেক সেবা করেছেন। সাহসিকতা, বীরত্ব, জ্ঞান চর্চা, আত্মসংয, অনাড়ম্বর জীবন যাপনের অভ্যস্ত হব।
বীরত্বঃ
হযরত আলীর নাম শুনলে কাফেরদের মনে ত্রাস সৃষ্টি হতো। বদর যুদ্ধ অসাধারণ বীরত্বের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু ইসলাম তাকে" যুলফিকার" তারাবি উপহার দেন। খাইবার কামোশ দুর্গ জয় করলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে 'আসাদুল্লাহ '(আল্লাহর সিংহ )উপাধি প্রদান। হুদাই বিয়ার করেন